গবেষকদের দাবি, চা-চক্রে প্রাপ্ত জ্ঞানের পরিমাণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামষ্টিক জ্ঞানের চেয়ে বেশি, তবে সিদ্ধান্তহীনতার হারও সমান।
রাজধানীর অলিগলিতে গতকাল এক নজিরবিহীন দৃশ্যের অবতারণা হয় — প্রতিটি চায়ের দোকানের বেঞ্চিতে বসা প্রতিটি মানুষই হঠাৎ নিজেকে দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতি এবং ক্রিকেট নির্বাচনের একচ্ছত্র বিশেষজ্ঞ হিসেবে ঘোষণা করেন। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টিকে "নিয়ন্ত্রণের বাইরে জ্ঞানবৃদ্ধি" আখ্যা দিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছে, যদিও বৈঠকের কার্যবিবরণী নিয়ে কেউ একমত হতে পারেননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলোচনার সিংহভাগ জুড়ে ছিল "যদি আমাকে ক্ষমতায় বসানো হতো" জাতীয় অনুমান, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বটে, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের কোনো ঘাটতিও নেই। একজন আলোচক তো রীতিমতো দ্বিতীয় কাপ চায়ের বিনিময়ে "সম্পূর্ণ বাজেট পুনর্গঠনের রূপরেখা" পেশ করে ফেলেন।
অর্থনীতিবিদরা এই ঘটনাকে "মৌখিক জিডিপি" নামে একটি নতুন সূচক দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন, যদিও তাদের নিজেদের হিসাব অনুযায়ী এই সূচকও কোনো এক অজানা চা-দোকানে ইতিমধ্যে বিতর্কিত হয়ে গেছে।